সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩স্পটে আকস্মিক পরিদর্শন

অ্যাকশনে মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১:১২ অপরাহ্ন, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১১:৪২ অপরাহ্ন, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সরকারি কার্যক্রমের তদারকি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে একটি সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময়সীমা দিয়েছেন। 

গতকাল শনিবার রাজধানীতে সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩টি স্পট আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্মকর্তাকর্মচারীদের আবাসিক এলাকা ছাড়াও মিরপুর-১০ নম্বরের হকারমুক্ত ফুটপাত ঘুরে দেখেন তিনি। 

আরও পড়ুন: নানান সংকটের মধ্যেও মৎস্য খাতে বাংলাদেশের ঈর্ষণীয় সাফল্য

গতকাল শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে পরিদর্শন শুরু করে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সেবার মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এরপর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ও মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে যান। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার এবং সরকারি বাংলা কলেজ ঘুরে দেখেন। পরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর নিজের সাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে যান তিনি। সেখানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন এবং পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা ও বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। এ ছাড়া ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার এবং আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে বিভিন্ন স্থানের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় দেন। নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী, দেশ গড়ার বার্তা শিক্ষার্থীদের: রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনের একপর্যায়ে নিজের এক সময়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজেও গেলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। এ সময় দেশকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখতে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। 

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। নিজের একসময়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাদের দেশ গড়ার কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। 

আরও পড়ুন: চিকিৎসকদের বদলি-পদায়নে অটোমেশনে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারের একার পক্ষে দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব নয়। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের নিজেদের বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন,তোমরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২৪-এর আন্দোলন সফল করেছিলে। এটা কি কোনো একক দল করেছিল? সবাই মিলে করেছিল, তাই না? 

তিনি বলেন, তরুণদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব, সেটি ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তবে শুধু আন্দোলন করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। দেশ পুনর্গঠন এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজেও তাদের এগিয়ে আসতে হবে। 

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর বাতাস ক্রমেই দূষিত হয়ে পড়ছে। এর ফলে বিশেষ করে শিশুরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝু ঁকিতে পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি। 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ইতোমধ্যে দেশকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এসব উদ্যোগ পুরোপুরি সফল করা সম্ভব নয়। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমাদের কাছে আমার দু’টি আবেদন-দেশকে পরিষ্কার রাখবে এবং বেশি বেশি গাছ লাগাবে। এটা তোমাদেরই দেশ, এর দায়িত্বও তোমাদের। ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে: ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই দেশ তোমরাই পরিচালনা করবে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ এখন থেকেই শুরু করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, প্রতিবছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন এবং অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর একটি হচ্ছে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা। 

তিনি জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজের বাসাবাড়ি, স্কুল-কলেজ, কর্মস্থল কিংবা যেকোনো প্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশেষ করে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাস্তা, খাল, নদী ও জলাশয়ে ময়লা-আবর্জনা ফেলার প্রবণতা বন্ধ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। 

অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন দুই সপ্তাহ: আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পুরো এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। কোয়ার্টারের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা আবাসিক এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী বাসিন্দাদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। ধূমপান করে বরখাস্ত হলেন শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এক চিকিৎসককে নিজের কক্ষে ধূমপান করতে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় চিকিৎসকের কক্ষ অপরিচ্ছন্ন থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পরে ওই চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এদিন দুপুরে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটি পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মপরিবেশ ও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের একপর্যায়ে হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের কক্ষে গিয়ে তাকে ধূমপান করতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া কক্ষটি অপরিচ্ছন্ন থাকায় এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পরে হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরিদর্শনকালে হাসপাতালে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। 

মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী: রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর ও সংলগ্ন এলাকার হকারমুক্ত ও দখলমুক্ত ফুটপাতগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই আকস্মিক পরিদর্শনের সময় তিনি সাধারণ পথচারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের নানা সুবিধা ও অসুবিধার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। 

এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিরপুর-১০ এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি স্বচক্ষে দেখতে সেখানে উপস্থিত হন তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে সরকারপ্রধান পথচারী ও সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি জানতে চান যে পূর্বে হকার ও অবৈধ দখলে থাকা ফুটপাতগুলো উচ্ছেদ করার ফলে তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতে কতটা স্বস্তি এসেছে এবং বর্তমানে সেখানে হাঁটাচলার ক্ষেত্রে তারা কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন কি না। এছাড়া রাজধানী ঢাকার সামগ্রিক ফুটপাত ও সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনো ধরনের দুর্ভোগ বা অভিযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তিনি বিশদ খোঁজখবর নেন। জনসাধারণের সঙ্গে অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সরাসরি মতবিনিময় করে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামত শোনেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন যেন রাজধানী শহরের ফুটপাতগুলো কেবল পথচারীদের নিরাপদ ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে বজায় রাখা হয়, সড়ক ও ফুটপাতের সুশৃঙ্খল পরিবেশ রক্ষা করা হয় এবং জনসাধারণের চলাচলের পথে তৈরি হওয়া যেকোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা চিরতরে দূর করা হয়। এ সময় তিনি মন্তব্য করেন যে নগরীর ফুটপাতগুলো মূলত সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্যই নির্ধারিত, তাই যেকোনো মূল্যে ফুটপাত দখলমুক্ত রেখে নাগরিকদের স্বচ্ছন্দ যাতায়াত নিশ্চিত করা বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।