৬৫ সেকেন্ডেই গোল, লাল কার্ড ও প্যারাগুয়ের নাটকীয় জয়, তুরস্কের বিদায়
সান ফ্রান্সিসকোতে চোখের পলক ফেলার আগেই হয়ে যায় ম্যাচের একমাত্র গোল। বক্সের বাইরে থেকে মাতিয়াস গালারজা ৬৫ সেকেন্ডে চলতি বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলটি করেন। এরপর পুরো ম্যাচজুড়ে আকাশ-পাতাল ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল প্যারাগুয়ে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা একজন কম নিয়ে খেলেও জয় নিশ্চিত করে।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে মিগুয়েল আলমিরন লাল কার্ড দেখেন ‘অস্বাভাবিক’ কারণে। এই বিশ্বকাপে ফিফার নতুন নিয়মের আওতায় মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলার কারণে তিনি শাস্তি পান। বিরতির আগেই ১০ জনের দলে পরিণত হয় প্যারাগুয়ে।
আরও পড়ুন: কুনহার জোড়া গোলে হাইতিকে উড়িয়ে ব্রাজিলের দাপুটে জয়
তবে দ্বিতীয়ার্ধে একজন কম নিয়েও তুরস্কের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় প্যারাগুয়ে। পুরো ম্যাচে বল দখল, শট ও পরিসংখ্যানে পিছিয়ে থাকলেও গোলকিপার অরল্যান্ডো গিল পাঁচটি দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন।
ম্যাচের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্যারাগুয়ের অর্ধে তুরস্ক ৩২টি শট নেয়, বিপরীতে প্যারাগুয়ের ছিল মাত্র সাতটি। তুরস্ক পাঁচটি শট লক্ষ্যে রাখতে পারলেও সবগুলোই রুখে দেন গিল। অন্যদিকে প্যারাগুয়ে প্রথম গোলের পর আর মাত্র একটি শট লক্ষ্যে রাখতে পারে।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের রেকর্ড, স্কটল্যান্ডকে হারাল মরক্কো
বল দখলে তুরস্ক এগিয়ে ছিল ৭৮ শতাংশ থেকে। তাদের পাস সংখ্যা ছিল ৫৫৯টি, যেখানে প্যারাগুয়ের ছিল ৯৫টি। তুরস্কের এক্সপেক্টেড গোল ছিল ২.১২, প্যারাগুয়ের ০.৩২। তিনটি বড় সুযোগ নষ্ট করেও শেষ পর্যন্ত গোল আদায় করতে পারেনি তুরস্ক।
২০০২ সালের সেমিফাইনাল সাফল্যের পর ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এসে এবার প্রথম দুই ম্যাচেই হেরে বিদায় নিল তুরস্ক। প্রথম ম্যাচে তারা অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল। অপরদিকে তিন পয়েন্ট নিয়ে টিকে আছে প্যারাগুয়ে, একই পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। গ্রুপ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে।





