বিএনপিতে ফিরলেন একরামুজ্জামান, প্রত্যাহার করলেন মনোনয়ন
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে আলোচনায় আসেন সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান। এবারও তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন, যা বিএনপিসহ অন্যান্য দলের মনোনীত প্রার্থীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এর ধারাবাহিকতায় বিএনপি তার বিরুদ্ধে জারি করা বহিষ্কারাদেশও প্রত্যাহার করেছে।
আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা
একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন: ইয়াসের খান চৌধুরী তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় নান্দাইলে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী মঙ্গলবার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের দায়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি জসিম উদ্দিন রিপন মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ৮ জানুয়ারি এক ভিডিও বার্তায় সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান বলেন,
“২০০৪ সাল থেকে আমি দীর্ঘ ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পতাকাতলে রাজনীতি করেছি। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।”





