কুলাউড়ায় স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ম্যান্ডেলার নির্বাচনী সংবাদ সম্মেলন
মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনের স্বতন্ত্র (ঘোড়া প্রতীকের) সংসদ সদস্য প্রার্থী এম জিমিউর রহমান চৌধুরী ম্যান্ডেলা বলেছেন, নির্বাচিত হলে কুলাউড়ায় কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজের স্থান হবে না। আমি সরকারি বেতন-ভাতা, গাড়ি-বাড়ির সুবিধা গ্রহণ করবো না। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে কুলাউড়ার একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পৃথিমপাশা ইউনিয়নে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। দায়িত্ব পালনকালে শুধু পৃথিমপাশা ইউনিয়নেই নয়, কুলাউড়ার সর্বস্তরের মানুষের সুখে-দুঃখে সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছি। আমি চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে এমপি পদে প্রার্থী হয়েছি। উন্নয়নবঞ্চিত কুলাউড়ার জনগণের সেবা করার জন্য আমি এবারের সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। ইনশাআল্লাহ আমি বিজয়ী হলে সুযোগ-সুবিধাবঞ্চিত কুলাউড়ার কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি সাধারণ মানুষের কল্যাণে সর্বোচ্চ দিয়ে সেবা করে যাবো। চা শিল্পের সমস্যা-সম্ভাবনা ও চা-শ্রমিকদের, ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে অবদান রাখব। আমি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিতি রয়েছে।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে ডাম্পট্রাক চাপায় স্কুলছাত্রীর পর অটোচালকের মৃত্যু
তিনি আরও বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশে কুলাউড়ার হাকালুকি হাওরসহ অন্যান্য পর্যটন স্থানকে নিয়ে আমার বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। কুলাউড়া হাসপাতালের শয্যা বৃদ্ধি, ক্রীড়াঙ্গণের উন্নয়নে স্টেডিয়াম নির্মাণ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়াও কুলাউড়ার প্রধান সমস্যা শহরের যানজট এবং বিশেষ করে রবিরবাজার ও ব্রাহ্মণবাজারের যানজট নিরসনে কাজ করবো। সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করা এবং তাদের পরামর্শ অগ্রাধিকার পাবে। কুলাউড়ার সাধারণ মানুষ আমাকে কুলাউড়াবাসীর আগামী দিনের একজন সেবক হিসেবে “ঘোড়া প্রতীকে” তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।
উল্লেখ্য, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বী হেভিওয়েট দুই প্রার্থীকে পরাজিত করে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে চমক দেখান। এলাকায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, জনদরদি ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। নেলসন ম্যান্ডেলা পুরস্কারসহ একাধিক জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর বাবা মরহুম ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি সুলতানপুর গ্রামের রাজাই পীর সাহেবের ভাগ্নে, মুন্সী গিয়াস উদ্দিনের নাতি।
আরও পড়ুন: কাপাসিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার





