জামায়াত ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে: আবদুল আউয়াল মিন্টু

Sanchoy Biswas
ইলিয়াছ সুমন, ফেনী জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯:১৬ অপরাহ্ন, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫০ অপরাহ্ন, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইসচেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ (দাগনভুঁইয়া–সোনাগাজী) আসনের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের স্বার্থে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে, অন্যথায় বাংলাদেশকে ইরাক, লিবিয়া, সুদান ও আফগানিস্তানের মতো ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

বুধবার (আজ) দুপুরে ফেনীর দাগনভুঁইয়া উপজেলার পৌরসভাধীন দুলামিয়া কটনমিলে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গিয়াস উদ্দিন বি. কম।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জিতু মেম্বার হত্যাকাণ্ড মামলায় ৪ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “দেশ রক্ষার দায়িত্ব আবারও মুক্তিযোদ্ধাদের কাঁধে নিতে হবে। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে, তাদের প্রতিহত করা হবে।” তিনি বলেন, বর্তমানে তার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে এবং আগামী ১২ জানুয়ারি বিপুল ভোটে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে—ইনশাল্লাহ।

সারাদেশে জামায়াতের অপপ্রচার প্রসঙ্গে সতর্ক করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “জামায়াত ভীত হয়ে বিএনপির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা বিনাভোটে নির্বাচিত হওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু আগামী নির্বাচনের পর তাদের কোথাও মেম্বার পদেও নির্বাচিত হতে দেওয়া হবে না।”

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ডায়রিয়া প্রকোপ, বেড না পেয়ে বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছে রোগীরা

এলাকার উন্নয়নে মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী সমাজ ও হিন্দু সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াত নির্বাচন বানচাল করার শত চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আজ সারাদেশে জনতা জেগে উঠেছে। যেমন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তেমনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ জামায়াতকে পরাজিত করবে।”

এদিন আবদুল আউয়াল মিন্টু দাগনভুঁইয়ার বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। পরে বিকেলে দাগনভুঁইয়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী শোডাউনে অংশ নেন তিনি। শোডাউনে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।