শপথ এড়ালে বিপদ ঘনাবে: সংস্কার পরিষদে না গেলে বিএনপির ক্ষমতা পাঁচ বছর টিকবে না

Sanchoy Biswas
জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, আশুলিয়া
প্রকাশিত: ১১:২৪ অপরাহ্ন, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৪ পূর্বাহ্ন, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরবঙ্গের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ প্রশ্নে দ্ব্যর্থহীন অবস্থান না নিলে আগামী দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর জন্য ক্ষমতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। তাঁর ভাষায়, এ বিষয়ে নেতিবাচক বক্তব্য মানে জনগণের গণরায় ও গণভোটকে অস্বীকার করা।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আশুলিয়ার বগাবাড়িতে নির্বাচন-পরবর্তী সাংগঠনিক গতিশীলতা জোরদার ও নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দিতে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় একসঙ্গে ৩০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলো ছাত্র সংসদ ‘আল-ফায়জী’

সারজিস আলম বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ার যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা কার্যত জনগণের রায়কে তিরস্কার করে। একই অবস্থান যদি বিএনপি নেয়, তবে জনগণের আস্থা দ্রুত ক্ষয়ে যাবে। এর পরিণতিতে পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকা তাদের জন্য কঠিন হবে।

তিনি আরও বলেন, শপথ নেওয়া সংবিধানে নেই বলে যদি যুক্তি দেওয়া হয়, তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার বিষয়টিও সংবিধানের কোথাও নেই। সেই হিসেবে ওই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রসঙ্গও সংবিধানে লেখা নেই। জুলাইয়ের যে অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, সেটিও সংবিধানে লিপিবদ্ধ ছিল না।

আরও পড়ুন: মোহনগঞ্জে পুকুরে ডুবে একই বাড়ির দুই শিশুর মৃত্যু

সাংগঠনিক সভা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্বাচনের আগে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হিসেবে প্রতিটি আসনের প্রার্থীদের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে নিজে প্রার্থী থাকায় তা সম্ভব হয়নি। কোথাও জয় এসেছে, কোথাও আসেনি। দিনরাত পরিশ্রম করা নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করা ও তাদের মনোবল চাঙা করাই এই সভার মূল উদ্দেশ্য।

সভায় ঢাকা-১৯ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া জামায়াতসমর্থিত ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী দিলশানা পারুলসহ এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।