কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিধ্বস্ত কসবা-আখাউড়া, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কবীর আহমেদ ভূঁইয়া

Sanchoy Biswas
সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:০৩ অপরাহ্ন, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, ১৫ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

২৮ এপ্রিল ভোরের আলো ফোটার আগেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে ভয়াবহ কালবৈশাখীর ঝড়। সকাল আটটার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে দুই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘরবাড়ি, স্থাপনা, গাছপালা—সব মিলিয়ে এলাকাজুড়ে এখন বিপর্যয়ের ছবি।

ঝড়ে অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৫ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন। ভেঙে পড়েছে অন্তত ২৫০টি টিনের ঘর। কসবা সদর হাসপাতাল মসজিদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নয়নপুর বাজারে বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। বিনাউটি এলাকায় একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার উপড়ে খালের পানিতে পড়ে যাওয়ায় স্থানীয় মোবাইল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধুনিক উপশহর গড়ার স্বপ্ন কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার

কসবা উপজেলার কাইমপুর ইউনিয়নের মইনপুর, সাহাপাড়া, তিনলাকপির পারা বাজার, বিনাউটি, সাইদাবাদ, রাউহাট, খিদিরপুর, মাজলিশপুর, নেমতাবাজ, ব্রাম্মণ গ্রাম, চাপিয়া, আদ্রা, চন্দ্রপুর, চান্দাসার, অনন্তপুর, দুরুইল, নুয়াপাড়া, ধামসার, ভরাজাংগাল, হাজিপুর ও ঋষিপাড়াসহ উপজেলার প্রায় সকল গ্রাম কমবেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি আখাউড়া উপজেলার সংলগ্ন এলাকাগুলোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই মানবিক বিপর্যয়ের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপি কর্তৃক প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত এমপি প্রার্থী ও ভূঞা গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। ৩০ এপ্রিল তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে এলাকাবাসীর পক্ষে জরুরি ত্রাণ সহায়তা ও ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা দ্রুত সংস্কারের দাবিতে আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনের অনুলিপি জেলা প্রশাসক এবং কসবা ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকেও পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিলন মেলা ও র‍্যালি

কবীর আহমেদ ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে তাঁর প্রতিষ্ঠান ভূঞা গ্লোবাল ফাউন্ডেশন এলাকার যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সহযোগিতায় প্রস্তুত রয়েছে।

ইতোমধ্যে কসবা থানা পুলিশ ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেছে। তবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী সরকারের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের প্রত্যাশায় রয়েছেন।