চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিপণের উদ্দেশে অপহরণের পর হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মুক্তিপণের উদ্দেশে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে রামিজ মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর হত্যা মামলার প্রধান আসামি লাল্টু মিয়া (৪০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি থানাধীন জামালপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি ডা. অরুণাভ দে, সম্পাদক অজয় দাস
শনিবার (২৭ জুন) সকালে চুয়াডাঙ্গা আদালতে হাজির করা হয়। এদিন দুপুর সাড়ে ৩টায় জেলা পুলিশ মিডিয়া হোয়াটসঅ্যাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, লাল্টু মিয়া চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে থানায় তিনটি হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। আদালতে হাজির করার পর রামিজ মিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশিটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রায়পুরে মা ও তিন মেয়ে হত্যা: অভিযুক্ত অন্তরের মরদেহ নিতে অস্বীকৃতি স্বজনদের
জানা গেছে, গত ৫ জুন সন্ধ্যায় রামিজ মিয়াকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে অপহরণ করে লাল্টু। এরপর অপহৃত কিশোরের প্রবাসী বাবার কাছে মুঠোফোনে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে রামিজকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয় তারা। ১৩ জুন দুপুরে কুতুবপুর লাল ব্রিজ মাঠ-সংলগ্ন অর্জুন খালের পাশে জনৈক মজিদের পুকুর থেকে রামিজের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মামলা রুজু হয়। তাহার নং-১১, তারিখ-১০/০৬/২০২৬, ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০২৫)-এর ৭/৮/৩০।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান বলেন, এটি একটি অত্যন্ত নৃশংস ঘটনা। তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদেরকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।





