হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

Sadek Ali
নুরুজ্জামান ভূইয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, ৩০ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

হবিগঞ্জ জেলা সদরের পৌর এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারার আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। 

বৃহস্পতিবার সকালে জেলা ম্যাজিস্ট্রট ড. জি এম সরফরাজ এ আদেশ দেন। বুধবার এনসিপি ও বিএনপি ও অংগ সংগঠন একই স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে পৌর এলাকায় ১৪৪ধারা জারি করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে শান্তি ভংগের আশংকা বিদ্যমান না থাকায় এ আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় সরকারি ২৪ বস্তা বীজ জব্দ, বিক্রেতার ৭ দিনের কারাদণ্ড

এদিকে বুধবার সারা দিন নানা নাটকীয় ঘটনার পর এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জেলা ছাত্র দলের সভাপতি রাজীব আহম্মদ রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ ও ১০০অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে অভিযোগ দায়ের করে বিক্ষোভের সমাপ্তি টানেন।

পুলিশী বাধার মুখে জেলার বহুবল উপজেলার কামাইছড়া চা বাগান এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন  এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। বেলা তিনটায় মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জে আসার পথে দুই জেলার মধ্যবর্তী মুছাই নামক স্থানে হবিগঞ্জ জেলার অভ্যন্তরে প্রবেশে পুলিশ ও প্রশাসন তাদের বাধা দেয়। এনসিপি কেন্দ্রীয় আহবায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি,  হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি ও সারজিস আলমসহ বেশ কয়েক কেন্দ্রীয় নেতা বুধবার আহুত প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিতে মৌলভীবাজার হয়ে হবিগঞ্জ আসার চেষ্টা করেন। এদিকে সভাস্থলে হবিগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রট ১৪৪ ধারা জারি করায় পুলিশ তাদের হবিগঞ্জে ঢুকতে দেয়নি। পুলিশ  ট্রাক ও ব্যরিকেড দিলেও তারা ব্যারিকেড উপেক্ষা করে জেলার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন তবে পুলিশ তাদেরকে বেশী দূর এগোতে দেয়নি। পরে জেলার বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্পে তাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। 

আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগ থেকে বাঁচতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অভিনব চেষ্টা

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহমদ  রিংগনকে প্রধান আসামী এবং১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ  দায়ের করেন  জেলা যুব শক্তির আহবায়ক তন্ময় তাহের।  মংগলবার রাতে হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ কমপক্ষে ১৫ নেতাকর্মী আহত হন। ভাংচুর করা হয় নেতাদের বহনকারী মাইক্রোবাস।