কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল
সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বেড়েছে পর্যটকদের সমাগম। শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে শনিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, সাইমন বিচসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভিড় দেখা গেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে সৈকত এলাকা। বৈরী আবহাওয়া এবং বিভিন্ন সময় থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও পর্যটকদের আনন্দে কোনো ভাটা পড়েনি। বৃষ্টির মধ্যেও সৈকতের বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের ছবি তোলা, ঘোরাঘুরি ও আনন্দ-উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দাবি, সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে প্রায় পাঁচ শতাধিক কক্ষের বুকিং রয়েছে। পর্যটকের উপস্থিতি বাড়ায় স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে আশাবাদ।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রহিমুল্লাহ বলেন, সামনে শীতের মৌসুম। ছুটির সুযোগে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন তিনি। কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তার কাছে খুবই ভালো লাগে। তিনি জানান, সুযোগ পেলেই বছরে কয়েকবার কক্সবাজারে আসেন।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে শরতের কাশফুলে সেজেছে গ্রাম-বাংলার অপরূপ প্রকৃতি
হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা বলেন, পর্যটন মৌসুম সামনে রেখে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে সেবা দিতে চান তারা। একই সঙ্গে শীত মৌসুমে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিচকর্মী ও লাইফগার্ড সদস্যরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সৈকতে পর্যটকদের নিরাপদে চলাচল এবং সমুদ্রে গোসলের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার জন্যও বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের উপস্থিতি পর্যটন ব্যবসায় নতুন আশার সঞ্চার করেছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মু, আবদুল মান্নান জানান, পর্যটকদের কক্সবাজার ভ্রমনে সব ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। কোন ধরনের নিরাপত্তা সহ অনিয়মের খবর পেলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।





