বেড়ায় ব্ল্যাক রাইস ধান চাষে চমক সাদ্দামের
পাবনার বেড়ায় ব্ল্যাক রাইস ধান চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন উপজেলার নাকালিয়া সাঁড়াশিয়া বণিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সামির হোসেন সাদ্দাম।
জানা যায়, উপজেলার হাটুরিয়া মৌজার ২৩ শতাংশ জমিতে ব্ল্যাক রাইস (কালো ধান) চাষ করেছেন সৌখিন কৃষক সাদ্দাম হোসেন। সরেজমিনে গেলে তিনি জানান, ইউটিউব এবং অনলাইন দেখে ব্ল্যাক রাইস ধান চাষে উদ্বুদ্ধ হন।তারপর বগুড়া থেকে ২ কেজি বীজ ১ হাজার টাকা দিয়ে কিনে এনে বীজতলা তৈরি করে আষাঢ় মাসের শেষের দিকে জমিতে বীজ চারা রোপন করেন। ১৪০ দিনে এই ব্ল্যাক রাইস পরিপক্ক হয়। ওই কৃষক আরও জনান, আমার জানামতে উপজেলার কোথাও ব্ল্যাক রাইস চাষ হয়নি আমি আর্থিক লাভের আশায় নয়, শখ করে ব্ল্যাক রাইস ( কালো ধান) চাষ করেছি।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শ্রমিকদের সরাল পুলিশ
১০-১৫ দিনের মধ্যে আশা করি ধান গাছ পারব। শুধুই ব্ল্যাক রাইস ধান নয় বাড়ির আঙিনায়ও প্রায় ১ বিঘা জমিতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের কাঁচা মরিচ, লাল ঢেঁড়শ, আদা সহ বিভিন্ন সবজি জাতীয় ফসলের চাষাবাদ করে আসছি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে।বাজারে প্রতি মণ ব্ল্যাক রাইস ধান তিন থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিঘা প্রতি ১৫ মণ ফলন হয়ে থাকে। এই ব্ল্যাক রাইস ধান ক্ষেত দেখার জন্য এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে নারী-পুরুষ ছুটে আসছেন। আলাপকালে তিনি আরও জানান পাঁচ বছর ধরে সহকারি শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন জাতের দেশি-বিদেশি সবজি চাষাবাদ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুসরাত কবীর বলেন,আমরা জানতে পেরেছি সাদ্দাম হোসেন নামে একজন সহকারি শিক্ষক ২৩ শতাংশ জমিতে ব্ল্যাক রাইস(কালো ধান) চাষ করেছে। এ বিষয় নিয়মিত আমাদের মাঠ কর্মী তার সাথে যোগাযোগ রাখছে এবং কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। যাতে করে অন্যান্য কৃষকরা এই ব্ল্যাক রাইস( কালো ধান) চাষে উদ্বুদ্ধ হন। এই ব্ল্যাক রাইসের চাউল একদিকে যেমন সুস্বাদু অন্যদিকে এর পুষ্টি গুণাগুণ ও অনেক বেশি ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগ রোগীদের জন্য এ চাউলের ভাত খুবই উপকারী বলে তিনি প্রতিবেদককে জানান।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ





