কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত, তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কমিটি ও ইমারাত বিলুপ্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মহানগরী শাখা কার্যালয়ে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। একই সঙ্গে কুমিল্লা মহানগরী শাখা কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধানে পরিচালনা এবং ঘটনার তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জের ৪২ মণ্ডপে ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কুমিল্লার সার্বিক পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনার পর ছয়টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফকে সামনে থেকে গুলি, ৬টি গুলির ৫টিই ভেদ করে যায়
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দলের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের বর্তমান সাংগঠনিক কমিটি ও ইমারাত বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া এখন থেকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যক্রম কেন্দ্রের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এ শাখার তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে।
১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে গঠিত দুই সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।
তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।





