কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানো হবে : সিএমপি কমিশনার

Sanchoy Biswas
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৭:৩৯ অপরাহ্ন, ০২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৯ অপরাহ্ন, ০২ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) নতুন কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ঘোষণা দিয়েছেন, চট্টগ্রাম মহানগরে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাস দমনে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ কর্মসূচি ও অভিযান পরিচালনা করা হবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নগরীকে অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার সিএমপি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নগরীতে মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ৯৯৯-এ ফোনের দুই ঘণ্টায় ডাকাতি হওয়া ৩১টি গরুসহ ট্রাক উদ্ধার, মিনিট্রাক জব্দ

নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কমিশনার বলেন, মানুষ যাতে নিরাপত্তার অনুভূতি নিয়ে চলাফেরা করতে পারে, সে পরিবেশ আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এ সময় কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান চালানোর কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে যানজট নিরসনে কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করে বলেন, নগরবাসীকে একটি স্বস্তির ও সুন্দর নগরজীবন উপহার দিতে কাজ করছে পুলিশ। চট্টগ্রামকে একটি ‘সেইফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কমিশনার বলেন, এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। একইভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিক অভিযান চলবে।

আরও পড়ুন: বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের খায়রুল বাশার বাহারের ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক

তিনি আরও জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও ছিনতাইয়ের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে এবং শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু হবে।

পুলিশের ভেতরে অনিয়ম-অপরাধের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদা বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমিশনার আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং কিশোর গ্যাং নির্মূলে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কঠোর নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরকে একটি নিরাপদ নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে নগরবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।