পদোন্নতি পেলেন পুলিশের ৬৭ পরিদর্শক
পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদ থেকে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ৬৭ জন কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
আরও পড়ুন: ৪ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগসহ রদবদল
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর যোগদান করতে হবে। অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে।
১২ দেশে কর্মী পাঠাতে লাগবে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন
আরও পড়ুন: এসআরবি প্রধানসহ পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ রদবদল
এদিকে জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কসোভো, বসনিয়া, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমতি বা অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া এসব দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র (ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স) ইস্যু না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) এক চিঠিতে সদস্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এ নির্দেশনার বিষয়টি জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ চিঠি পাঠিয়েছে বায়রা।
চিঠিতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ১২টি দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগপ্রক্রিয়া ও সরকারি অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বহির্গমন ছাড়পত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু ভিসা পাওয়া কিংবা কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব পেলেই নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত হয় না। সংশ্লিষ্ট দেশের কর্মসংস্থানের সুযোগ, নিয়োগকর্তার পরিচয়, চাকরির চুক্তি, বেতন-ভাতা, ভিসার ধরন এবং বাংলাদেশের সরকারি অনুমোদন যাচাই করা জরুরি।
বিশেষ করে কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশে অনলাইন প্রতারণা ও স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকে রেখে জোরপূর্বক প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করার ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে। চাকরির প্রলোভনে এসব দেশে গিয়ে বাংলাদেশিরাও প্রতারণা, শোষণ, আটকে রাখা ও মানবপাচারের শিকার হয়েছেন বলে বায়রার চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদেশগামী কর্মীদের কোনো প্রলোভন বা দালালের কথায় সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি অনুমোদন ও বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাই করে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত হওয়ার পরই বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।





