শাহবাগে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর ‘ক্লিন-আপ ড্রাইভ’, বর্জ্য ফেলায় ১০ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

Any Akter
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, ১৫ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, ১৫ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

 ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন শাহবাগ এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে সংসদ অধিবেশন শেষ করেই রাতের আঁধারে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। অভিযানে দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করার দায়ে ১০ ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপী ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হয়।

রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে প্রতিমন্ত্রী আকস্মিকভাবে শাহবাগ এলাকায় পৌঁছান। পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন দোকানের সামনে দীর্ঘসময় ধরে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: জেলা সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রায় নিয়ে ‘তালবাহানার’ অভিযোগ

প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে অন্তত ১০ জন ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন অংকের জরিমানা করেন। একই সঙ্গে দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে দোকানের সামনে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযানের অংশ হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। এসময় দোকানীদের মাঝে ঝুড়ি ও পলিথিন বিতরণ করেন তিনি। 

আরও পড়ুন: ঢাকা ওয়াসার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

এসময় সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তুলতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, নগরবাসীরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যেখানেই অপরিচ্ছন্নতা ও অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মাহবুর রহমান তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী আজিজ আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা, সচিব জয়নাল আবেদীন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহানে বিনতে ফেরদৌসসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।