মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ বিষয়ে প্রবাসী ব্যবসায়ী শেখ নূর ইসলাম পরিবারের বক্তব্য

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১:১৪ অপরাহ্ন, ০২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৩ অপরাহ্ন, ০২ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ নূর ইসলাম ও তার পরিবারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যকে ‘অসত্য, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে তার পরিবার।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণে এ দাবি করা হয়। ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের হেড অব অপারেশন মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের স্বাক্ষরিত ওই বক্তব্যে শেখ নূর ইসলাম ও তার পরিবারের বিষয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীর উত্তরায় ভাগ্নির বাড়ি দখল ও প্রাণনাশের হুমকি মামার

প্রতিবাদে বলা হয়, শেখ নূর ইসলাম গত ৪৬ বছর ধরে কানাডায় বসবাস করছেন এবং দেশটির বৈধ নাগরিক। তার দুই কন্যা দিশা ইসলাম ও বর্ষা ইসলামও জন্মগতভাবে কানাডার নাগরিক। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শেখ নূর ইসলাম কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বাংলাদেশেও তিনি একজন বিদেশি নাগরিক হিসেবে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে দাবি করা হয়।

প্রতিবাদে আরও বলা হয়, কানাডায় শেখ নূর ইসলামের বৈধ ব্যবসা রয়েছে এবং সেখান থেকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এনে ব্যবসা সম্প্রসারণ করছেন। পরিবারের দাবি, তিনি বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ধরনের ঋণ গ্রহণ করেননি। নিজস্ব পুঁজি ও রেমিট্যান্সের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করায় তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ তোলা ‘অবান্তর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলামোটরে ব্যবসায়ীকে মারধর, যুবদল নেতা সাইমনসহ আটক ৪

প্রতিবাদপত্রে প্রতিষ্ঠান ও লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়, বাংলাদেশে ‘ফু-ওয়াং বোলিং সার্ভিসেস লিমিটেড’ ছাড়া শেখ নূর ইসলামের অন্য কোনো মদের বার, ওয়্যারহাউজ কিংবা ডিপ্লোমেটিক বন্ডেড হাউজ নেই। এর বাইরে দেশে তাঁর বৈধ রেস্টুরেন্ট ও এগ্রো ব্যবসা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সম্প্রতি ‘টসবন্ট’ নামের একটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা করার পর সেটিকে শেখ নূর ইসলামের প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে দাবি করে প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শেখ নূর ইসলাম বা তার পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।

সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়ে প্রতিবাদে বলা হয়, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের কন্যা দিশা ইসলামের বিয়ে পরিবার মেনে নেয়নি। ওই বিয়ের পর থেকে সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে পরিবারের সব ধরনের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

এ কারণে সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের নাম জড়িয়ে তাকে ‘সালমানের শ্বশুর’ হিসেবে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা অনভিপ্রেত ও অসত্য বলে দাবি করেছে পরিবার।

প্রতিবাদপত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ধরনের তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের তথ্য প্রচার অব্যাহত থাকলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে শেখ নূর ইসলাম ও তার পরিবারের বক্তব্য প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়েছে।