বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩.৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক
চলতি অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিদ্যমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জিডিপি প্রবৃদ্ধির এই পূর্বাভাস দিল সংস্থাটি।
বিশ্বব্যাংক জানায়, চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশটি এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। যদিও জানুয়ারিতে সংস্থাটি বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল, নতুন পূর্বাভাসে তা কমিয়ে ধরা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাজেট ইতিবাচক; ধীরে হলেও চলতি অর্থবছরে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: এডিবি’র পূর্বাভাস
তবে আশার আলোও আছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে এবং তা দাঁড়াতে পারে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে। এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলেও সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় চলতি অর্থবছরের জন্য ৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, তবে বাড়তি চাপ সীমিত
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ২০২৫ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০২৬ সালে বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অঞ্চলটির অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে ভারতে চলতি অর্থবছরে সাড়ে ৬ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ২ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার বলেন, এখনই সময় নির্দিষ্ট কিছু সংস্কারের দিকে মনোযোগ দেয়ার। যাতে অর্থনীতির সহনশীলতা বাড়ে, প্রবৃদ্ধি জোরদার হয় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। বাণিজ্য আরও উন্মুক্ত করতে হবে, কৃষি খাতে আধুনিকায়ন আনতে হবে এবং বেসরকারি খাতে গতি আনতে হবে।





