থাইল্যান্ড থেকে আসছে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৩২ অপরাহ্ন, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ২:৩৬ অপরাহ্ন, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট রোধ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে থাইল্যান্ড থেকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ তেল কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) তেলটি কেনা হবে। সব ধরনের আনুষঙ্গিক খরচসহ ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) গুদাম পর্যন্ত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা।

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল কেনার এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিকভাবে ডিপিএম পদ্ধতিতে সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেয় উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। রমজানে ভোজ্যতেলের সরবরাহ বাড়ানো ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে জরুরি বিবেচনায় থাইল্যান্ডের প্রাইম কর্প ওয়ার্ল্ড কোম্পানি লিমিটেডের কাছে দরপ্রস্তাব আহ্বান করা হলে প্রতিষ্ঠানটি প্রস্তাব জমা দেয়।

আরও পড়ুন: এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি (টিইসি) প্রস্তাবটি যাচাই করে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে। পরবর্তী দরাদরির মাধ্যমে টিইসির সুপারিশ অনুযায়ী ১৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৭ টাকায় উল্লেখিত পরিমাণ সয়াবিন তেল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুই লিটার পেট বোতলে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৭ পয়সা। অন্যান্য খরচ যোগ করে টিসিবির গুদাম পর্যন্ত মূল্য দাঁড়াবে ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা। এই তেল খোলাবাজারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কম মূল্যে এবং ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হবে, ফলে সরকারের কোনো ভর্তুকির প্রয়োজন হবে না।

এদিকে একই বৈঠকে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য ভর্তুকিমূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনারও অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৭১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মসুর ডাল কেনার জন্য পাঁচটি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে কারিগরি ও আর্থিকভাবে যোগ্য চারটি প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে টিইসির সুপারিশ অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের এম/এস পায়েল অটোমেটিক ফুড প্রসেসিং মিলসের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৭১ টাকা ৮৭ পয়সা দরে মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।