ঢাবিতে ক্লাস চলবে ১২ মার্চ পর্যন্ত

Any Akter
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯:১৯ অপরাহ্ন, ০৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৯:১৯ অপরাহ্ন, ০৮ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের ছুটি এগিয়ে এনে আগামী সোমবার (৯ মার্চ) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আপাতত একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের নির্ধারিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১২ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু থাকবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা তাদের কাছে পৌঁছেনি। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১২ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলবে এবং ২৪ মার্চ থেকে আবার খুলবে। তাই আপাতত ক্লাস কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই পরিচালিত হবে।

রোববার (৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের উদ্দেশে জারি করা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ক্যালেন্ডারে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত ছুটি কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সিদ্ধান্ত বদল ঢাবির, ৯ মার্চ থেকেই শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি

একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে একাধিক নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে এবং দরজা-জানালা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে। প্রয়োজনে ব্যবহৃত আলোর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছে।

এছাড়া অফিস চলাকালীন প্রয়োজন ছাড়া লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালু না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় বাতি, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমের মতো স্থানে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।

পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার, গাড়ির ব্যবহার সীমিত করা এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।