আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের পেশাগত স্বাস্থ্য শিক্ষা IOSH স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল বিইউএইচএস

Sanchoy Biswas
সঞ্জীব ভট্টাচার্য
প্রকাশিত: ১০:৪০ অপরাহ্ন, ০৪ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১:৪১ পূর্বাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের পেশা ও পরিবেশ স্বাস্থ্য বিভাগ লন্ডনভিত্তিক বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউট অব অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি (IOSH) থেকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এই গৌরবময় সাফল্য উদযাপন উপলক্ষে ৪ এপ্রিল ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জে এম এ হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ডা. শেখ আখতার আহমদ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এন এম শহীদুল্লাহ। বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর এম এইচ ফারুকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইকা নিজাম। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন তানজির নেওয়াজ খান, ডা. তাসলিমা আখতার, সোহেল মাহমুদ, আতিকুজ্জামান চৌধুরী এবং ইঞ্জি. আলী কামাল মোস্তফা প্রমুখ।

আরও পড়ুন: শনিবারেও ক্লাস: ১০ সপ্তাহ খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই অর্জন শুধু একটি বিভাগের সাফল্য নয়, বরং দেশের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলায় বিভাগের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।

বিশেষ অতিথিরা বলেন, IOSH-এর মতো বৈশ্বিক সংস্থার স্বীকৃতি দেশের জন্য নিঃসন্দেহে গর্বের। এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখবে এবং শিল্পকারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর অবদান রাখবে।

আরও পড়ুন: জুলাই জাতীয় সনদে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, সংশোধন চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন

সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর এম এইচ ফারুকী বলেন, এই সাফল্য দীর্ঘ পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফসল। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই অর্জনকে সম্ভব করেছে। তিনি ভবিষ্যতে আরও গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিস্তারের ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেশের পেশাগত ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য শিক্ষাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখবে।