অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাহেদ হাইকোর্টে খালাস

Babul khandakar
বাংলাবাজার পত্রিকা রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ন, ১১ জানুয়ারী ২০২৪ | আপডেট: ১২:০৮ অপরাহ্ন, ১১ জানুয়ারী ২০২৪
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।বিচারিক আদালতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে তার আপিল মঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে সাহেদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।পরে শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, ‘এটি আসল অস্ত্র নয়। রাষ্ট্রপক্ষ বিষয়টি প্রমাণ করতে পারেনি। আদালত তার আপিল মঞ্জুর করে খালাস দিয়েছেন।’এর আগে, ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ আদালত। মামলায় সাহেদকে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারায় যাবজ্জীবন ও (চ) ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুটি সাজা একত্রে চলবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

এ ছাড়া অস্ত্র বাজেয়াপ্ত এবং যে গাড়ি থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে, তার মালিকানা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। পরে হাইকোর্টে আপিল করে সাহেদ।উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এরপর তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করে সংস্থাটি। পরে উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করে। এরপর তার নামে প্রতারণা, অনিয়মের নানা অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। পরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাহেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়।