সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি জানান।

আরও পড়ুন: ইউপি চেয়ারম্যানের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক চেয়ে হাইকোর্টের রুল

এদিন মামলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিচারিক কর্মকর্তা, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশী।

সকালেই মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

আরও পড়ুন: চেক জালিয়াতির মামলায় হরিদাস চন্দ্রের এক বছরের কারাদণ্ড কার্যকর

এর আগে সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে তদন্ত সংস্থার দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে প্রতিবেশীর একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং পরে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহত শিশুর স্বজনরা।