বৃহত্তর জোট গঠনে তোরজোর
জাতীয় নির্বাচনে গণতন্ত্র মঞ্চের ১২০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকার প্রথম ভাগ ঘোষণা করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এছাড়া বৃহত্তর জোট গঠনের সম্ভাবনা এবং নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে আলোচনা চলছে।
আজ সকাল ১১টায় রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে মঞ্চ থেকে আগামী নির্বাচনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকার প্রথম ভাগ প্রকাশ করা হয়। তালিকায় সর্বমোট ১২০টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে বাকী আসনের তালিকাও প্রকাশ করা হবে।
আরও পড়ুন: নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম। তিনি স্বাগত বক্তব্যে জানান, মঞ্চের ছয় দলের এ পর্যন্ত ৪০০-এর অধিক প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছে এবং আরও অনেকে আগ্রহ জানিয়েছেন। প্রার্থীতা বাছাই ও সমন্বয় কমিটি এই আবেদনগুলো পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের কাজ করছে। একই আসনে একাধিক প্রার্থীর আবেদনের ক্ষেত্রে দলগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনার ভিত্তিতে সমন্বয় করা হচ্ছে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। জুলাই সনদের টেকসই বাস্তবায়নের পথে এই নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
আরও পড়ুন: অবশেষে পুলিশ পদকের প্রজ্ঞাপন জারি
গণতন্ত্র মঞ্চ এর আগে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে সম্প্রসারণ এবং অন্য কোনো জোটের সাথে ঐক্য বা নির্বাচনী সমঝোতার সম্ভাবনাও রয়েছে। হাসনাত কাইয়ূম বলেন, দেশকে ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত করে জনগণের মালিকানা ও জবাবদিহিতার রাষ্ট্র কাঠামো গড়তে যারা সর্বোচ্চ সচেতন, তাদের সাথেই গণতন্ত্র মঞ্চের ঐক্য হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ভাসানি জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব, জেএসডি সাধারণ সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।
অতিরিক্ত উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন ও ভাসানি জনশক্তি পার্টির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।





