‘জুলাই সনদ’ রাজনৈতিক ঐক্যের ঐতিহাসিক মাইলফলক: ইইউ রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কার ও জাতীয় ঐক্যের পথে ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষরকে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, এই সনদ বাংলাদেশের ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিকে আরও এগিয়ে নিয়েছে এবং এটি দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের নতুন দিক উন্মোচন করেছে।
আরও পড়ুন: ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়ায় শিগগিরই ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মাইকেল মিলার লিখেছেন, “জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। এটি মৌলিক সংস্কার বিষয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গড়ে ওঠা ব্যাপক ঐকমত্যের প্রতিফলন।”
আরও পড়ুন: জুলাই অভ্যুত্থানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের তুলনা করা অন্যায়: সংসদে ফজলুর রহমান
তিনি আরও বলেন, “এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পথে দেশটি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাচ্ছে—এটি তারই প্রমাণ।”
‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ২৫টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। মাইকেল মিলারের উপস্থিতি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সুশাসন ও শাসনব্যবস্থা সংস্কারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সহযোগিতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইইউ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সুশাসন, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য কাজ করে আসছে। সম্প্রতি তারা অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিতের পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এ লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর প্রস্তাবও দিয়েছে। ইইউর এই অবস্থান বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি তাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।





