জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: শিক্ষামন্ত্রী

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৫৩ অপরাহ্ন, ১৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৩:৪৯ অপরাহ্ন, ১৭ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের বৃহৎ জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে পরিণত করতে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: শ্রীমঙ্গলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ শতাংশ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছেন। এ বরাদ্দকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তবে এই জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হলে শিক্ষকদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুন: সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা

ড. মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। ডিনস অ্যাওয়ার্ডের মতো উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং তাদের মধ্যে একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি সমাজের জন্য কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সবসময় শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে কিছু মহল শিক্ষাব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করলেও সরকার শিক্ষা খাতকে সুরক্ষিত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় শিক্ষা বিষয়ে আরও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এ খাতে পিছিয়ে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পাঠ্যক্রম ও কারিকুলাম সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের সময়ে শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ ও আনন্দমুখর পরিবেশে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হল ও ছাত্রাবাস নির্মাণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর আরও বাড়ানো গেলে এটি ভবিষ্যতে একটি ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। মোট ১০৪ জন শিক্ষার্থী এ সম্মাননা লাভ করেন। এর মধ্যে কলা অনুষদ থেকে ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদ থেকে ২৯ জন, আইন অনুষদ থেকে তিনজন এবং চারুকলা অনুষদ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী পুরস্কার পান।