দুই মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক, যা জানালো পুলিশ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:০৫ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫১ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে সন্দেহজনক একটি ব্যাগ পাওয়ার ঘটনায় প্রায় ৫২ মিনিট স্টেশনটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ওই সময় স্টেশনটিতে ট্রেন থামানো বন্ধ রাখা হয়। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের তল্লাশি শেষে কোনো বিস্ফোরক না পাওয়ায় স্টেশনটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) অপারেশন বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দুপুর ১২টা ৫৮ মিনিটে স্টেশন এলাকায় একটি সন্দেহজনক ব্যাগ দেখতে পেয়ে নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী মিরপুর-১০ স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়। যাত্রীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ট্রেনগুলো স্টেশনটি এড়িয়ে চলাচল করে।

আরও পড়ুন: ঢাকার যানজট কমাতে আসছে নতুন প্রস্তাব

খবর পেয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যাগটি পরীক্ষা করে। প্রাথমিকভাবে এটি বিস্ফোরক নয় বলে নিশ্চিত হওয়ার পর বেলা ১টা ৫০ মিনিটে স্টেশনটি পুনরায় চালু করা হয় এবং মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদীর সই করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সন্দেহজনক ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষায় ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি বস্তুর উপস্থিতি দেখা যায়। পরে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে ব্যাগটি নিরাপদে খোলা হয়।

আরও পড়ুন: ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

পরীক্ষায় দেখা যায়, ব্যাগটির ভেতরে ছিল একটি জর্দার কৌটা ও পান। সেখানে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।

একই দিনে তেজগাঁও থানাধীন ফার্মগেট এলাকাতেও একটি পরিত্যক্ত বস্তুকে ঘিরে বোমা থাকার সন্দেহ তৈরি হয়। খবর পেয়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে গিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বস্তুটি পরীক্ষা করে। সেখানেও কোনো বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি।

ডিএমপি জানিয়েছে, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে। যেকোনো সন্দেহজনক বস্তু সম্পর্কে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।