সময়োপযোগী শিক্ষা ছাড়া টিকে থাকা কঠিন: প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত বাস্তবতায় সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে উদ্ভাবনী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে University Grants Commission of Bangladesh (ইউজিসি) আয়োজিত জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর University of Dhaka সিনেট ভবনে “বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও টেকসই রূপান্তর” শীর্ষক এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে শনিবার স্মরণসভা, প্রধান অতিথি তারেক রহমান
তারেক রহমান বলেন, সরকার মেধা পাচার রোধ করে দেশের ভেতরেই মেধা বিকাশের পরিবেশ তৈরি করতে চায়। এজন্য এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা নিয়ে বিকশিত হতে পারবেন।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন করলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে। দক্ষতার ঘাটতির কারণেই দেশে বেকারত্ব বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করতে ইতোমধ্যে সিলেবাস সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: আল্লামা সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণকারী সাবেক এএসপি গ্রেপ্তার
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো কারিকুলাম নতুনভাবে সাজানো এখন সময়ের দাবি। সরকার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে “ইনোভেশন গ্রান্ট” চালুর পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা তার মেরুদণ্ড।”
তারেক রহমান সতর্ক করে বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বাস্তবমুখী করতে হবে। শুধুমাত্র মুখস্থনির্ভর শিক্ষা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়।





