শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিক আজ
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্টর জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে দেশী বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের ইন্দনে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী ঘাতকরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণের মুখে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করে ক্লান্ত হননি। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসবে নেতৃত্ব দিয়ে সম্মুখ যুদ্ধে পাক ক্ষমতার বাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন। যুদ্ধ শেষে স্বাধীনতা অর্জনের পর জিয়াউর রহমান যথারীতি ফিরে গিয়েছিলেন সেনাবাহিনীতে। ৭৫ এর ১৫ ই আগস্ট এর পর আধিপত্যবাদী ও সম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং এ দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমতার প্রভাব নিয়ে এক অস্থির সময়ে সাত নভেম্বর আবার জাতির কাছে ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পরই স্বাধীনতা সুসংহত ও দেশকে স্বনির্ভর করে তোলার ১৯ দফা কর্মসূচি চালু করেন।সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়া খালকাটা কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। তার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়। দেশকে যখন তিনি সামনের দিকে নিয়ে চলেছেন সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে শুরু হয় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র। ১৯৮১ সালের ২৯ মে তিনি এক সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গভীর রাতে একদল সেনাসদস্য তাকে হত্যা করে। ঘাতকরা বুলেটে জাজরা করে দেয় বাংলার স্বাধীনতার ঘোষকের বুক। ঢাকার শেরেবাংলা নগরে তার নামাজের জানাজা আজও র্পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ও ঐতিহাসিক। জাতীয় সংসদের পাশের চন্দ্রিমা উদ্যানে দাফন করা দেশপ্রেমিক এই নেতাকে।
জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট—ইপিআরের বাঙালি পল্টনের মেজর ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। এরপর তিনি সেনাবাহিনীর প্রধান হন। মোশতাক সরকারের ৮১ দিনের শাসনের পর ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশের প্রধান সেনা প্রশাসক ও পরবর্তীতে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা : রাষ্ট্রপতি
জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে কর্মসূচি: ফরিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো কর্মসূচি দেখা যায় ৩০ শে মে *সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী* উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ বিএনপির কর্মসূচী ছাড়াও ও প্রধানমন্ত্রী দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিবেন।
সকালে শেরে বাংলা নগরে শহীদের জিয়ার মাজারে কোরআন খানি মিলাদ দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন প্রদান কর্মসূচি রয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় হাজীদের ফিরতি প্রথম ফ্লাইট পৌঁছেছে
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির অনুষ্ঠানসমুহ
চন্দ্রিমা উদ্যান শ্রদ্ধা নিবেদন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন*। এছাড়াও সাধারণ মানুষ ও দুঃস্থদের মাঝে টিএনটি মাঠ — সকাল ১১:৩০ শ্যামলী স্কয়ার — দুপুর ১২:০০ সরকারি বাংলা কলেজ — দুপুর ১২:৩০
আয়ুর্বেদী কলেজের উল্টো পাশে — দুপুর ১:৩০ পল্লবী মেট্রো স্টেশন — দুপুর ১:৩০* ইসিবি চত্বর — দুপুর ২:০০ কুড়িল বিশ্ব রোড বাস স্টপ — দুপুর ২:৩০
ফুজি ট্রেড সেন্টার — বিকাল ৩.০০ টা- খাবার সামগ্রী কাপড় বিতরণ করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কর্মসূচী সমাপ্ত করা হবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিন বিএনপির উদ্যোগে জোড়পুকুর খেলার মাঠ (ঢাকা-০১) মির্জা আব্বাস এমপি সাহেবের বাসভবন (ঢাকা-০৮)
বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় এর সামনে- ( যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, শ্রমিকদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ , স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদ, ছাত্রদল - ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটি, জিয়া মঞ্চ) যুবদল কার্যালয়, বাংলাবাজার (ঢাকা-০৭) ধোলাইখাল লিংক রোড, মিয়া ভাইয়ের বাড়ী (ঢাকা-০৬) শহীদ ফারুক সড়ক (ঢাকা-০৫), যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা বিক্রমপুর প্লাজার সামনে জুরাইন রেলগেট (ঢাকা-০৪) সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি ৫/এ বাসস্ট্যান্ড (ঢাকা-১০) খাবার সামগ্রী বিতরণ করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির কর্মসূচী সমাপ্ত। এছাড়াও কেন্দ্রীয় কার্যালয় পল্টনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।





