বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব তুরস্ককে

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৩৫ অপরাহ্ন, ০৬ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১:৩৫ অপরাহ্ন, ০৬ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে তুরস্কের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

গত শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্প

সংবাদ সম্মেলনে ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয় দেশই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন প্রণোদনার বিষয়ে তুরস্ককে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তুর্কি বিনিয়োগকারীদের দেশের বিভিন্ন বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে ১০ শতাংশ দিয়েন’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তুরস্ককে পূর্ণ সমর্থন দিতে প্রস্তুত রয়েছে সরকার। এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অন্যদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় তুরস্ক। এ লক্ষ্যে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে উভয় দেশই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।