বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে অস্থিতিশীল রাজনীতি পরিহারের আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

Any Akter
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:২৯ অপরাহ্ন, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৬:১৩ অপরাহ্ন, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে এ নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কিছুটা সংকট থাকলেও ছয় মাসের বর্তমান সরকার এই সংকট তৈরি করেনি। এটি একটি জাতীয় সংকট। তাই এ বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে ভুল পথে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা কারো জন্যই মঙ্গলজনক হবে না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে সরকার ও বিরোধী দল সবারই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। নীতিগত বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনা কিংবা দ্বিমত থাকতে পারে, তবে এমন কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করা উচিত নয় যেনো দেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে।

আরও পড়ুন: গুম প্রতিরোধে বাংলাদেশে কী পরিবর্তন এসেছে?

সরকারের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন। নিয়মিত জনগণের কাছে গিয়ে তাঁদের কথা শোনা ও সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশকে পুরোপুরি পরিবর্তন করা সম্ভব না হলেও একটি সঠিক ও মানসম্মত গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দুর্নীতি প্রতিরোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি জানান, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। জনগণের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তিনি আরও জানান, স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই-বাছাই করতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পরেই কেবল প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসন ও ইপিজেড প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।