চাকরিচ্যুত ৮,৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:৫১ অপরাহ্ন, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৩:০৬ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় চাকরিচ্যুত ৮ হাজার ৭৯৬ জন বিডিআর সদস্যকে বিজিবিতে পুনর্বহালের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়ারেছের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিডিআর সদস্যদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। কোনো নিরপরাধ বিডিআর সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি।

তিনি জানান, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন বিডিআরের আইন ও বিধি অনুযায়ী গঠিত বিভাগীয় স্পেশাল কোর্ট এবং প্রশাসনিক বিচার ব্যবস্থায় বিভিন্ন ইউনিটের তদন্ত পর্ষদের মাধ্যমে সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: দেশে ফের বেড়েছে লোডশেডিং, ভ্যাপসা গরমে চরম অস্বস্তিতে মানুষ

এর মধ্যে ৬ হাজার ২৮৬ জন বিডিআর সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডসহ চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া ২ হাজার ৫১০ জনকে পেনশন সুবিধাসহ চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে চাকরিচ্যুত হন ৮ হাজার ৭৯৬ জন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এসব সদস্যকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাই চাকরিচ্যুত সদস্যদের পুনরায় চাকরিতে নেওয়ার সুযোগ নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, চাকরিচ্যুত সদস্যদের মধ্যে ৮৫০ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা এবং ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে একটি বিস্ফোরক মামলা করা হয়েছে। হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত অভিযুক্ত বিডিআর সদস্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন। বর্তমানে মামলাটির আপিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা বিস্ফোরক মামলার বিচারও নিম্ন আদালতে চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় আসামি হিসেবে থাকা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকায় তাদেরও চাকরিতে পুনর্বহালের সুযোগ নেই।