সম্পর্ক সহজ করতে ভারতকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:৫৭ অপরাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৫:৩৮ অপরাহ্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক করতে হলে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের দণ্ডপ্রাপ্ত নেতাদের দেশে ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভা অনুষ্ঠিত

জাহেদ উর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও ভালো করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু সংবেদনশীল বিষয় রয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের দণ্ডপ্রাপ্তদের ফেরত দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের এই সংবেদনশীলতা ভারত সরকার উপলব্ধি করবে এবং সংশ্লিষ্টদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক

আরও পড়ুন: আজ সচিব সভা, সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা

তথ্য উপদেষ্টা জানান, সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে শেখ হাসিনা ও অন্যদের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গ্রামীণ কল্যাণের মামলা আদালতের বিষয়

এদিকে গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার করসংক্রান্ত মামলায় সরকারের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তির বিষয়ে সরকারের কোনো অনুরাগ বা বিরাগ নেই। গ্রামীণ কল্যাণের মামলাটি আদালতের বিষয় এবং এটি বিচারিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী নিজস্ব গতিতেই চলবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে ১১ হাজারের বেশি অভিযান

ব্যাটারিচালিত রিকশায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার বিষয়েও সংবাদ সম্মেলনে তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা।

তিনি জানান, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জ দেওয়া বন্ধ করতে গত ৩১ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর অধীনে মোট ১১ হাজার ১৮৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।