সার্ককে ফের সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)কে পুনরায় সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অভিন্ন কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে ভুটানের সমর্থন প্রত্যাশা করেছে ঢাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের বাংলাদেশে স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতিকালে এ সহযোগিতা চাওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী
জার্মানির উদ্দেশে যাওয়ার পথে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। এ সময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
সংক্ষিপ্ত আলাপকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান তারা। এ সময় একটি সমৃদ্ধ ও সহযোগিতামূলক দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তুলতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গির কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী
আলোচনায় সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে ভুটানের সমর্থন প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের যৌথ কল্যাণে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) প্রকল্পের উন্নয়নেও বাংলাদেশের সহযোগিতার আগ্রহের কথা জানান ড. আবদুল মঈন খান ও হুমায়ুন কবির। বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে প্রকল্পটিতে বাংলাদেশ অবদান রাখতে আগ্রহী বলে জানান তারা।
এ ছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
আলোচনায় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ হিসেবে ভুটানের ভূমিকার কথা স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।
এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





