দ্বৈত নাগরিকত্ব শুনানিতে ইসিতে উত্তেজনা, মিন্টু–হাসনাতের বাকবিতণ্ডা

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:৩০ অপরাহ্ন, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:৪৮ অপরাহ্ন, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আপিল শুনানিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফেনী-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মধ্যে এ সময় বাকবিতণ্ডা হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতার মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের শুনানি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন সহজ নয়, একটি ভোটও নষ্ট করা যাবে না: সালাম

ইসি সূত্র জানায়, শুনানিতে আইনজীবীদের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর কমিশন আধাঘণ্টার জন্য কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করে। এ সময় কমিশন কক্ষ ত্যাগের পর অডিটোরিয়ামে উপস্থিত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথমে বাদানুবাদ শুরু হয়। একপর্যায়ে বিএনপি প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বিরোধী পক্ষের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করলে সেখানে উপস্থিত এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ আপত্তি জানান। এতে দুজনের মধ্যে সরাসরি বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আরও পড়ুন: খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী রাষ্ট্রনায়ক: মঈন খান

বিরতির পর শুনানি পুনরায় শুরু হলে হাসনাত আবদুল্লাহ কমিশনের সামনে অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থী মিন্টু তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন এবং বলপ্রয়োগেরও চেষ্টা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তাকে ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বলেও আক্রমণ করা হয়। এ ঘটনায় তিনি কমিশনের কাছে রুলিং দেওয়ার দাবি জানান।

শুনানি শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, যারা রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ব্যবসা করে এবং সুবিধাজনক সময়ে নিরাপদ প্রস্থান নেয়, তাদের নতুন বাংলাদেশে দেখতে চান না। তার দাবি, রাজনৈতিক এলিটিসিজম দেখিয়ে কাউকে হেয় করা গ্রহণযোগ্য নয়।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “স্বয়ং ইসির সামনে যদি এভাবে হেনস্তা হতে হয়, তাহলে অন্য প্রার্থীদের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত হবে?” ইসির প্রতিক্রিয়াকে তিনি দায়সারা বলে মন্তব্য করেন।

ঘটনাটি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।