তারেক রহমানের সঙ্গে ১১ দেশের কূটনীতিকের বৈঠক

Sadek Ali
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:১৮ পূর্বাহ্ন, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:১৮ পূর্বাহ্ন, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা বৈঠক করেছেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

আরও পড়ুন: ধর্মের অপব্যবহার করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেস্টা আইনত অপরাধন: মাহ্দী আমিন

বিএনপির পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক) হুমায়ুন কবির এবং তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকাস জেরার্ডাস ভ্যান বোমেল, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া ডি চিনচেত্রু, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনুস রাগনুর উইকস, ইতালির রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো আন্তোনিও, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরালদ গুলব্রান্ডসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে।

আরও পড়ুন: মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে ধ্বংস হয়েছে এলাকা: মির্জা আব্বাস

বৈঠক শেষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, ২৫ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পর আন্তর্জাতিক মহল তারেক রহমানকে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বিবেচনা করছে। আজকের বৈঠকে মোট ১১ জন রাষ্ট্রদূত তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সরকার গঠন করলে বিএনপির ৩১ দফার উন্নয়ন পরিকল্পনা কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করবে। এছাড়া, চলমান অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রগতি বজায় রেখে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইতিবাচক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের জন্য আর কোনো বিদেশি নির্দেশনা প্রযোজ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা ইস্যু ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের মতামত ও গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল বেশ উৎসাহিত। তারা নির্বাচনের পরিবেশে সন্তুষ্ট এবং উদ্দীপিত।