ঢাকা-১৭ আসনে নির্ধারিত ব্যয়ের অনেক কমে নির্বাচন সেরেছেন তারেক রহমান: খরচ ২৩ লাখ টাকা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:১৪ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৮:১৪ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমান নির্বাচনী ব্যয়ে সংযম দেখিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, নির্ধারিত সর্বোচ্চ ব্যয়সীমার তুলনায় প্রায় ১০ লাখ টাকারও বেশি কম খরচ করে তিনি নির্বাচন সম্পন্ন করেছেন, যা নির্বাচনী ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও নিয়ম মেনে চলার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মোট নির্বাচনী ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা। সোমবার (৩০ মার্চ) ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু: পরিদর্শনে বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক, দায়ীদের শাস্তির দাবি

প্রার্থীর জমা দেওয়া ব্যয়ের বিবরণী অনুযায়ী, প্রচার-প্রচারণা খাতে ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন খাতে ব্যয় এক লাখ ১০ হাজার টাকা এবং জনসভা আয়োজনের জন্য খরচ হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা। নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এদিকে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় মানবসম্পদ ব্যয় ছিল উল্লেখযোগ্য। নির্বাচনী এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফদের পেছনে ব্যয় হয়েছে ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, যা মোট ব্যয়ের একটি বড় অংশ। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ব্যয় হয়েছে ৬৬ হাজার টাকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার জন্য খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: বিএনপির সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে: রিজভী

ইসি সূত্রে আরও জানা গেছে, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে—যেটি বেশি হবে—সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারেন।

সে হিসাবে তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত ব্যয়সীমা ছিল ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা। সেই তুলনায় তিনি প্রায় ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা কম ব্যয় করেছেন।

নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, ব্যয়সীমার মধ্যে থেকে নির্বাচন পরিচালনা করা যেমন আইনি বাধ্যবাধকতা, তেমনি এটি রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও জবাবদিহিতারও প্রতিফলন। তবে বাস্তবতা যাচাই ও ব্যয়ের উৎস-প্রকৃতি নিয়ে আরও গভীর পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে বলেও তারা মনে  করছেন।