সরকারে আসার ঝুঁকি এতটা ভয়াবহ হবে ভাবিনি: ফারুকী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:৫৬ অপরাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৬ অপরাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পরও আলোচনায় রয়েছেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তাকে ঘিরে চলমান সমালোচনা ও বিভিন্ন প্রচারণার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৭ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে ফারুকী বলেন, “প্রত্যেকটা ভালো কাজের একটা কাফফারা দিতে হয়। এটা জেনেই সরকারে ঢোকার ঝুঁকি নিয়েছিলাম। কিন্তু সেটা যে এতটা ভয়াবহ হবে, ভাবিনি।”

আরও পড়ুন: ৬ দফা ও হাসিনার কারামুক্তি দিবস ঘিরে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, জনস্বার্থে কাজ করতে গেলে মূল্য দিতে হয়—এই উপলব্ধি নিয়েই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তবে বাস্তবে সেই মূল্য যে এতটা কঠিন হবে, তা তিনি কল্পনাও করেননি বলে মন্তব্য করেন।

নিজেকে ঘিরে চলমান সমালোচনার প্রসঙ্গে আক্ষেপ প্রকাশ করে ফারুকী বলেন, এমন অনেক ব্যক্তি তাকে নিয়ে মন্তব্য করছেন, যাদের বিষয়ে তিনি আগে কখনও গুরুত্ব দিয়ে ভাবেননি। এমনকি তাদের নামও তার আলোচনার বিষয় ছিল না।

আরও পড়ুন: পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সভাপতি মুন্নার

তিনি লেখেন, “এমনসব মানুষ আমাদের নিয়ে কথা বলছে, যাদের উত্তর দিলেও সম্মান থাকে না। তারা কোনোদিন আমাদের সিলেবাসে ছিল না। তাদের নামও আমাদের আড্ডায় উচ্চারিত হয়নি। অথচ এখন সাংবাদিকরা ফোন করে তাদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চান। এটাই হয়তো সেই কাফফারা।”

ফারুকী দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে পরিচালিত মিথ্যাচার ও সংগঠিত প্রচারণাই প্রমাণ করে যে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি সঠিক পথেই ছিলেন।

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, “এদের মিথ্যাচার এবং সম্মিলিত প্রোপাগান্ডাই বলে দেয়, আমি আমার কাজটা ঠিকমতো করতে পেরেছি।”

স্ট্যাটাসের শেষাংশে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, যেকোনো সংকটময় সময়ে তিনি মানুষের পক্ষেই ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।

তার ভাষায়, “মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষেই থাকতাম। জুলাইতেও আমি মানুষের পক্ষেই ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।”

ফারুকীর এই স্ট্যাটাস প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তার বক্তব্য নিয়ে যেমন সমর্থন দেখা গেছে, তেমনি সমালোচনাও করেছেন অনেকে।