গোলের বন্যায় বিলবাওকে উড়িয়ে সুপার কাপ ফাইনালে বার্সেলোনা
স্প্যানিশ সুপার কাপের মঞ্চে আরেকটি শক্তিশালী বার্তা দিল বার্সেলোনা। সেমিফাইনালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে একতরফা দাপট দেখিয়ে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে কাতালান জায়ান্টরা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে বিলবাওকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে জোড়া গোল করেন রাফিনিয়া। এছাড়া একবার করে গোলের দেখা পান ফেররান তরেস, ফের্মিন লোপেস ও রুনি বার্দগি।
আরও পড়ুন: আইসিসি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আল্টিমেটাম দেয়নি: বিসিবি সভাপতি
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বার্সেলোনা। ২১তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় তারা। ডান প্রান্ত থেকে বার্দগির পাসে সুযোগ তৈরি হয়, লোপেস শট নিতে ব্যর্থ হলেও বল পেয়ে ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন ফেররান তরেস।
এরপর ৩০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বার্সেলোনা। বাঁ দিক দিয়ে রাফিনিয়ার বাড়ানো বল প্রথম স্পর্শেই বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটে গোল করেন ফের্মিন লোপেস। মাত্র চার মিনিট পর আবারও আঘাত হানে কাতালানরা। ফের্মিনের পাস ধরে বক্সে ঢুকে রুনি বার্দগির নেওয়া শট গোলরক্ষক সিমন ঠেকালেও বল গড়িয়ে জালে চলে যায়।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতেই হবে, না হলে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি
৩৮তম মিনিটে ম্যাচের চতুর্থ গোলটি আসে রাফিনিয়ার পা থেকে। বার্দগির পাসে বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে পড়া ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড প্রতিপক্ষের বাধা এড়িয়ে জোরালো শটে বল জালে পাঠান। এর মধ্য দিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে প্রথমার্ধেই চার গোল করার রেকর্ড গড়ে বার্সেলোনা।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে বার্সেলোনা। ৫২তম মিনিটে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন রাফিনিয়া। বক্সের ভেতর থেকে শক্তিশালী শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
হ্যাটট্রিকের সুযোগ থাকলেও ৬৫তম মিনিটে রাফিনিয়াকে তুলে মার্কাস র্যাশফোর্ডকে নামান কোচ হান্সি ফ্লিক। পরে ৭২তম মিনিটে বার্দগির বদলে মাঠে নামেন লামিনে ইয়ামাল। শেষ দিকে দুই দলই কিছু সুযোগ তৈরি করলেও আর কোনো গোল হয়নি।
এই জয়ের মাধ্যমে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল বার্সেলোনা।





