আজ বিপিএল ফাইনাল
শিরোপার লড়াইয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস–রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
আজ ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের। ছয় দল নিয়ে শুরু হওয়া এই আসরে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। মিরপুরের শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল।
প্রথম পর্ব শেষে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহীকে হারিয়ে সবার আগে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বিসিবির মালিকানাধীন চট্টগ্রাম রয়্যালস। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নানা বিতর্ক থাকলেও বিসিবি দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার শিরোপার অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছে বন্দরনগরীর দলটি। নতুন নাম নিয়ে খেলতে নামা চট্টগ্রামের সামনে এবার প্রথমবার বিপিএল ট্রফি জয়ের হাতছানি। এর আগে ২০১৩ ও ২০১৫ সালে ফাইনাল খেলেও শিরোপার স্বাদ পায়নি চিটাগং কিংস।
আরও পড়ুন: ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ
ফাইনালের আগে গতকাল অনুশীলনে ব্যস্ত ছিলেন শেখ মেহেদি হাসান, শরিফুল ইসলাম ও নাঈম শেখরা। অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদি বলেন, ‘ফাইনালে উঠেছি মানে শিরোপার স্বপ্ন তো থাকবেই। তবে যাদের দিন ভালো থাকবে, তারাই ভালো ক্রিকেট খেলবে। সব বিভাগে যারা ভালো করবে, তারাই শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতবে। আমাদের সবার মধ্যেই সেই ক্ষুধাটা আছে।’
চলতি বিপিএলে এখন পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়েছে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী। প্রথম পর্বে দুই দলের জয় ছিল একটি করে। পরে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে চট্টগ্রাম। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা থাকার কথা জানিয়ে শেখ মেহেদি বলেন, ‘রাজশাহী এই বিপিএলের অন্যতম সেরা দল। সব বিভাগেই তাদের শক্তিশালী খেলোয়াড় আছে। পুরো টুর্নামেন্টে তারা দারুণ ক্রিকেট খেলেছে।’
আরও পড়ুন: সাফ ফুটসালে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ, চ্যাম্পিয়ন সাবিনা খাতুনের দল
অন্যদিকে শুরু থেকেই এবারের বিপিএলের অন্যতম ফেভারিট দল ছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই হেড কোচ হান্নান সরকার জানিয়েছিলেন, শিরোপা জয়ের লক্ষ্যেই দল গড়া হয়েছে। মাঠেও তার প্রতিফলন দেখা গেছে। শেষ দিকে একাধিক নিউজিল্যান্ড তারকাকে দলে ভিড়িয়ে শক্তি আরও বাড়িয়েছে রাজশাহী।
চট্টগ্রাম এখনো বিপিএল শিরোপা জিততে না পারলেও রাজশাহী ২০১৯ সালে খুলনা টাইগার্সকে হারিয়ে একবার শিরোপার স্বাদ পেয়েছে। ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহীর হেড কোচ হান্নান সরকার বলেন, ‘ট্রফি ধরার আগেই আমরা অনেক দিক থেকে চ্যাম্পিয়ন। সবার আগে খেলোয়াড়, ম্যানেজমেন্ট ও স্টাফদের পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে। সবাই মানসিকভাবে স্বস্তিতে আছে।’
প্রথমবার হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেই দলকে ফাইনালে তোলার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এর আগে কখনো হেড কোচ হিসেবে কাজ করিনি। বাইরে থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি, সেজন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’
সব মিলিয়ে আজকের ফাইনালে অভিজ্ঞতা ও প্রথম শিরোপার ক্ষুধার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বিপিএল দ্বাদশ আসর।





