দুমকীতে গাজায় মুসলমানদের ওপর গণহত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

Sanchoy Biswas
দুমকি (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ৪:৩৮ অপরাহ্ন, ০৭ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পটুয়াখালীর দুমকীতে ফিলিস্তিনের গাজায় মুসলিমদের ওপর ইসরাইলি নৃশংস বর্বরোচিত গণহত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সোমবার বেলা ১১টায় দুমকি উপজেলা স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে উপজেলার জনতা কলেজ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে পীরতলা বাজার প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজার এলাকায় এসে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা বদলালেও বদলায়নি সিটিজেন চার্টার: নেই কার্যকর মোবাইল-ইমেইল

মানববন্ধনে দুমকি উপজেলা স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন(ডুসা) এর সভাপতি সাফায়েত সাগর এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রশিবির এর সভাপতি মো. মাসুদ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ তার বক্তব্যে বলেন, যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে ইসরায়েল চরম পশুত্ত্বের পরিচয় দিয়েছে। বোমা মেরে তারা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে, যা কোনো মানুষের পক্ষে মেনে নেয়া অসম্ভব। আমরা আল্লাহর কাছে ইসরায়েল এর ধ্বংস কামনা করছি। 

আরও পড়ুন: আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে নিরাপত্তা প্রহরীর নিয়ন্ত্রণে দাপ্তরিক কাজ

ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি ও সমবেদনা জানিয়ে উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মাসুদ বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি নীতি ভঙ্গ করে ইসরায়েল নতুন করে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করছে। এ হামলায় নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ অসংখ্য লোকদের যেভাবে হত্যা করা হচ্ছে, তা ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধ। কিন্তু তাদের এই হামলাকে সমর্থন দিয়ে আসছে আমেরিকা, যা খুবই ঘৃণ্য।

তিনি আরও বলেন, আমেরিকা ও ইসরাইল হত্যাযজ্ঞ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালালেও তা মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ছে না এবং কিছু দেশ তাদের সমর্থন দিয়ে আসছে , যা আসলেই দুঃখজনক।

উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাজ্জাদুল ইসলাম দুর্জয় বলেন, ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ওপর ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন ও হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।আশা করছি তারা ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো অত্যাচার নির্যাতন অতি দ্রুত বন্ধ করবে। তিনি সকলকে ইসরায়েল এর পণ্য বয়কটের অনুরোধ জানান।

এ ছাড়াও মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন বয়সের নানা শ্রেণি-পেশার  মানুষ অংশগ্রহণ করেন।