রূপগঞ্জে অবৈধ গরুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি অবৈধ গরুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের শিমুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানায়, পূর্বাচলের শিমুলিয়া এলাকায় অনুমোদনবিহীন এই হাটটি কয়েক মাস আগে স্থানীয় প্রশাসন বন্ধ করে দেয়। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জসিম উদ্দিন নামে একজন ব্যক্তির প্রভাবে সেখানে নিয়মিত হাট বসছে। সোমবার হাট চলাকালে মামুন নামে আরেক ব্যক্তি তার লোকজন নিয়ে হাটের নিয়ন্ত্রণ নিতে আসে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লা ও চাঁদপুরে আনসার-ভিডিপির কার্যক্রম পরিদর্শন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে জোর
আহত সবুজ অভিযোগ করেন, “আমি ডিউটি করতেছিলাম। হঠাৎ করে একশর বেশি লোক রামদা, লাঠি নিয়ে হামলা করে। পিস্তল দিয়ে তিনটা গুলি ছোড়া হয়েছে। আমরা দৌড়াইয়া পালাইছি। মহাসিনকে কোপা করা হয়েছে। মামুন কাকা, রফিকুল্ল্যা আর মনছুরের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে।”
অন্য আহত রিপন জানান, “আমরা গরুর হাটে ডিউটি করতে ছিলাম। এর মাঝে মামুন গ্রুপ এসে বলে, ‘তোরা কিসের বিএনপি করস?’ সঙ্গে বড় বড় রামদা, লাঠি, আর কোমর থেকে পিস্তল বের করে তিনটি গুলি ছোড়া হয়েছে। পরে আমাদের মাইর-ধোর করে হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে।”
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অসহায়দের মাঝে চাল বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান
পূর্বাচল বাণিজ্য মেলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই পার্থ কুমার চ্যাটার্জী বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তখন পরিস্থিতি শান্ত ছিল। স্থানীয় পুলিশের দ্রুত ভূমিকার কারণে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়ানো গেছে। দুই-তিনজন আহত হাসপাতালে আছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার লক্ষ্য করেনি, তবে দেশীয় অস্ত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে হাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।





