নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় কোমলমতি শিশুরা

Sadek Ali
এস আর শাহ্ আলম, পাবনা
প্রকাশিত: ৮:৪২ পূর্বাহ্ন, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রতিদিন খেয়া নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় পেচাকোলা গ্রামের অসংখ্য কোমলমতি শিশুরা। জানা যায়, ৭৩ নং পেচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যমুনা নদী সংলগ্ন উওর পেচাকোলা গ্রামে অবস্থিত৷ নদী সংলগ্ন হওয়ায় পুরো বর্ষা মৌসুমে পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ায় যাতায়াতে একমাত্র মাধ্যম হয়ে পরে খেয়া নৌকা। প্রতি দিনই ছোট ছোট কোমলমতি শিশুরাসহ ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকে  যমুনা নদী দিয়ে খেয়া নৌকা যোগে স্কুলে যাওয়া আসা করতে হয়। স্থানীয় ও অভিভাকরা জানান,  পুরো বর্ষা মৌসুমের তিন - চার মাস ঝড় বৃষ্টি মাথায় নিয়ে খেয়া নৌকাতেই পার হয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করে ওই স্কুলের ছাএ-ছাএীরা। তারা জানান ছেলে মেয়েরা স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি না ফেরা পযন্ত বাবা- মায়ের স্বস্তি নেই। মঙ্গলবার সরে জমিনে বেলা সাড়ে চারটার দিকে  পেচাকোলা নদীর ঘাটে গেলে দেখা যায় স্কুল থেকে খেয়া নৌকায় ছাএ ছাএীদের সঙ্গে পার হয়ে আসা ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদ্বয় রাশিদা ও মৌসুমি খাতুন জানান, প্রতি দিন তারাও এসব ছাত্র ছাত্রীর সঙ্গে খেয়া নৌকায় স্কুলে যাতায়াত করে থাকেন। বর্ষা মৌসুমে স্কুলে  ছাত্র-ছাত্রী ও তাদেরও খুব কষ্ট হয়।

এ বিষয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছালেহা আক্তার এ প্রতিবেদককে জানান যমুনা নদীর পাশে স্কুল হওয়ায় প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে তিন থেকে চার মাস ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষকদের যমুনা নদীর পশ্চিম তীর দিয়ে  ছোট ডিঙ্গি নৌকাতে ঝুঁকি নিয়ে পাড় হয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। তিনি আরও বলেন তার স্কুলে ৮২ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখা পড়া করে। বর্ষা মৌসুম হলেও প্রতি দিন প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ জন ছাত্র ছাত্রী স্কুলে হাজির হয়ে থাকে। তিনি আরও জানান ছাত্র-ছাত্রীদের খেয়া নৌকায় পারাপারে কোনো টাকা দিতে হয় না। স্কুলের  ছয় জন শিক্ষক পারাপারের এ টাকা বহন করে থাকেন বলে  তিনি জানান। 

আরও পড়ুন: সাভারে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘হাইক্কা ডাকাত’ গ্রেফতার