গাজীপুরে বোমা হামলার ২০তম বার্ষিকী পালিত

Sanchoy Biswas
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ন, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৭:০৯ অপরাহ্ন, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গাজীপুরে আইনজীবী সমিতির হলরুমে ২০০৫ সালে নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি’র আত্মঘাতী বোমা হামলার ২০তম বার্ষিকী রোববার পালিত হয়েছে। শোকর‍্যালি, শোকসভা ও দোয়া মাহফিলসহ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

সকালে গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে স্থাপিত স্মৃতিস্তম্ভ ‘স্মৃতি শিখা অনির্বাণ’-এ আইনজীবী সমিতি ও গাজীপুর জজশিপের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে শহীদ আইনজীবীদের স্মরণে ও আহত আইনজীবীদের সুস্থতা কামনা করে আইনজীবী সমিতি ভবন প্রাঙ্গণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে ১৬ লাখ টাকার কাঠ ও বাঁশ জব্দ করেছে সেনাবাহিনী

গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. শমসুল হক ভূইয়ার সভাপতিত্বে শোকসভায় বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. সুলতান উদ্দীন আহমদ, মো. আব্দুস সোবহান, দেওয়ান আবুল কাশেম, ড. শহীদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান কামাল, অ্যাডভোকেট নাদিরা বেগম প্রমুখ।

পরে আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোকর‍্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আইনজীবী সমিতিতে গিয়ে শেষ হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুরে নিষিদ্ধ রঙ ও ঘনচিনি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল আইসক্রিম: কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা, খাদ্যপণ্য ধ্বংস

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ২নং হলরুমে জেএমবি’র আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৫ আইনজীবী, ৪ বিচারপ্রার্থী ও এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ ১০ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক আহত হন। নৃশংস ওই বোমা হামলায় নিহত আইনজীবীরা হলেন- আইনজীবী সমিতির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আমজাদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আজিম, অ্যাডভোকেট নুরুল হুদা, অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক অভি ও অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন মাখন। নিহত বিচারপ্রার্থীরা হলেন- আব্দুর রউফ, বশির মেম্বার, শামসুল হক ও মর্জিনা বেগম। আত্মঘাতী জঙ্গির নাম শরিয়ত উল্লাহ ওরফে আসাদুল ইসলাম।

এর দুই দিন পর ১ ডিসেম্বর দুপুরে আবারও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে জেএমবি’র এক সদস্য আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়। এতে কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম সরকার নিহত হন এবং সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, নজরুল ইসলাম বাদামীসহ ২৫ জন আহত হন।