ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে গাফিলতি-অনিয়ম মেনে নেওয়া যাবে না: এডিসি সমর কুমার
সুনামগঞ্জের হাওরবাসীর সারা বছরের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎস বোরো ফসল। সেই বোরো ফসল অকাল বন্যা ও অসময়ে অতিবৃষ্টিতে হাওরের বাঁধ ভেঙে পানির নিচে তলিয়ে যায়।
হাওরবাসীর জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎস বোরো ফসল যেন পানির নিচে তলিয়ে না যায়, সে জন্য সরকার প্রতি বছর সুনামগঞ্জের হাওরের সোনালি ফসল নির্বিঘ্নে গোলায় তোলার লক্ষ্যে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারকাজ করে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: জৈন্তাপুরে টাস্কফোর্সের অভিযান, ৭১১৯ ঘনফুট বালু জব্দ
এই ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণকাজে কোনো প্রকার গাফিলতি বা অনিয়ম মেনে নেওয়া যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে বাঁধের উভয় পাশে দুর্বাঘাস লাগাতে হবে।
সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বর্ধিত গুরমা, মহালিয়া, বৃহৎ শনি ও মাটিয়াইন হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন শেষে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: নাশকতার কর্মকাণ্ডের অভিযাগে নান্দাইলে গ্রেফতার ৬
এ সময় তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক, পানি উন্নয়ন বোর্ড তাহিরপুর শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনির হোসেন, শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সরকারসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি, সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





