শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াতের পক্ষে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে আটক ২
শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ঘাগড়া দরগার পাড়ে জামায়াতের পক্ষে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণকালে দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। জামায়াত কর্মীদের দাবি, তারা দলের পক্ষ থেকে ফেতরার নামে দেওয়া টাকা বিতরণ করছিলেন।
২১ মার্চ সন্ধ্যায় ৩০০ টাকা করে বিতরণকালে আব্দুর রাজ্জাক ও মোরাদ মিয়া বাবুকে আটক করা হয়। পরে ঝিনাইগাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রাণী ভৌমিক তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের জিম্মায় ছেড়ে দেন।
আরও পড়ুন: অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর ১৯তম শাহাদাতবার্ষিকীতে স্মরণসভা, চিকিৎসা শিক্ষায় অবদানের কথা স্মরণ
আগামী ৯ এপ্রিল শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের পক্ষ থেকে মাথাপিছু ৩০০ টাকা ও সেমাই-চিনি বিতরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
২১ মার্চ বিকেল থেকে ঝিনাইগাতীর হাতিবান্ধা ইউনিয়নের ঘাগড়া দরগার পাড়ে টাকা বিতরণের সময় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ স্থানীয় জামায়াত কর্মী আব্দুর রাজ্জাক ও মোরাদ মিয়া বাবুকে হাতেনাতে আটক করেন। উপায়ান্তর না দেখে তারা দলের পক্ষ থেকে ফেতরার ৫০ হাজার টাকা পেয়ে তা বিতরণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলন: কঠোর অবস্থানে পুলিশ, মাঠে ডিআইজি
পরে তাদেরকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রাণী ভৌমিক ঘটনাস্থলে যান। তিনি জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানান, অভিযোগটি গুরুতর এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের এখতিয়ারের বাইরে হওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জামায়াত প্রার্থীর প্রার্থিতাও বাতিল হতে পারে।
অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আটককৃতদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রহিমের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় এবং তাদের উপজেলা ত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব লুৎফর রহমান। তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।





