বিএনপিকে পরাজিত করতে এখন দেউলিয়া
আজিমের গার্মেন্টসের বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
বকেয়া বেতন ও ওভারটাইমের দাবিতে চট্টগ্রাম নগরের ব্যস্ততম আরাকান সড়ক অবরোধ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে নগরের সিঅ্যান্ডবি এলাকায় সড়ক অবরোধ শুরু করেন তাঁরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
শ্রমিকদের অভিযোগ, চট্টগ্রাম নগরের কালুরঘাট বিসিক শিল্প এলাকায় অবস্থিত আজিম গ্রুপের একটি পোশাক কারখানায় তাঁদের দেড় মাসের বেতন এবং চার মাসের ওভারটাইম বকেয়া রয়েছে। একাধিকবার দাবি জানানো হলেও মালিকপক্ষ তা পরিশোধ না করায় তাঁরা বাধ্য হয়ে সড়কে অবস্থান নেন।
আরও পড়ুন: শ্যামনগরে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনতাই
অবরোধের কারণে আরাকান সড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। অনেকে যানজট এড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পায়ে হেঁটে রওনা দেন। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের অন্যান্য কারখানার পণ্য পরিবহনও ব্যাহত হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সদস্য মোতায়েন করা হয়। তবে শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ফজলুল আজিম নির্বাচন করেন।
বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করার জন্য তিনি অন্তত ২৫ কোটি টাকার উপরে ব্যয় করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের শ্রমের মূল্য পরিশোধ না করে কোটি কোটি টাকা বিএনপির বিরুদ্ধে বিনিয়োগ করেন।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, শ্রমিকের কোটি কোটি টাকা বেতন বকেয়া রেখে যিনি বিএনপির বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছেন সেই ফজলুল আজিম আজ শ্রমিকদের তীব্র আন্দোলনের মুখোমুখি। এ বিষয়ে বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (পাঁচলাইশ) কাজী মো. বিধান আবিদ বলেন, “আজিম গ্রুপের কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে বেতন ও ওভারটাইম বকেয়া রয়েছে বলে শ্রমিকেরা অভিযোগ করছেন। ২০২২ সাল থেকে এ সমস্যা চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মালিকপক্ষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।”
তিনি আরও জানান, শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মালিকপক্ষ ঘটনাস্থলে এসে সমাধানমূলক আলোচনা না করলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করবেন না।





