শেরপুরে মালচিং পদ্ধতিতে মরিচ চাষ

Sanchoy Biswas
রাকিবুল আওয়াল পাপুল, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:৩০ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৫:০১ পূর্বাহ্ন, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের তিনানি গ্রামে মরিচ চাষে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয় কৃষক আমিনুল ইসলাম এ বছর ১০ শতাংশ জমিতে মালচিং পেপার ব্যবহার করে মরিচ চাষ করেছেন।

মালচিং পেপার ব্যবহারের ফলে জমিতে আগাছার পরিমাণ কমে যাচ্ছে এবং মাটির আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে। এতে গাছের বৃদ্ধি স্বাভাবিক ও তুলনামূলকভাবে ভালো হচ্ছে। এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষকদের উৎপাদন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। সঠিক কৃষি পদ্ধতি অনুসরণ করা গেলে মরিচসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: চুনারুঘাটে ‘স’ মিলে অভিযান: প্রায় সাড়ে ৩৪ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ

স্থানীয় কৃষকরা জানান, আগের তুলনায় আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে শ্রম কম লাগে এবং পরিচর্যা সহজ হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই কিছুটা কমানো সম্ভব হচ্ছে।

হাতিবান্ধা গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, “মালচিং পদ্ধতির এই মরিচ চাষ দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমিনুল ভাইয়ের ফলন দেখে আমিও আগামীতে এই পদ্ধতিতে চাষ করবো।”

আরও পড়ুন: তিন সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করা হবে, বদলে যাবে যোগাযোগব্যবস্থা: এমএ মান্নান এমপি

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, “এখন যেহেতু বর্ষা মৌসুম, জমিতে প্রচুর পরিমাণ আগাছা হবে। মালচিং পেপার দিয়ে যদি আবাদ করা হয়, তাহলে আগাছা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পাশাপাশি শ্রমিক খরচও অনেক সাশ্রয় হবে, গাছ ভালো থাকবে। মালচিং পেপারে আলো পড়লে আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে পোকামাকড় অনেক কম থাকে। এতে কৃষকের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”