শেরপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিলন মেলা ও র্যালি
ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে যখন বিশ্বজুড়ে বইছে উন্মাদনার হাওয়া, তখন তার ছোঁয়া লেগেছে সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরেও। আজ রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে শেরপুর সরকারি কলেজ মাঠে মিলনমেলা শেষে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শেরপুর আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের উদ্যোগে প্রায় হাজারো ভক্ত এই মিলনমেলা ও আনন্দ র্যালিতে অংশ নেন। ঢাক-ঢোল, স্লোগান আর করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কলেজ ক্যাম্পাস ও শহর।
র্যালিতে ২০০ ফুট দীর্ঘ পতাকা, ছোট-বড়, মাঝারি পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন, ভুভুজেলা বাঁশি ও বাদ্য-বাজনা বাজিয়ে নেচে-গেয়ে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকরা আনন্দ-উল্লাস করে।
শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আর্জেন্টিনা ফুটবল ফ্যানস ক্লাবের অন্যতম সংগঠক মো. মেরাজ উদ্দিন বলেন, আমরা আশাবাদী এবারও টানা দ্বিতীয়বার এবং সব মিলিয়ে চতুর্থবারের মতো আর্জেন্টিনা ফিফা বিশ্বকাপ জিতবে। এটাই হয়তো মেসির শেষ বিশ্বকাপ। এ জন্য আমরা দলের শুভ কামনায় এ মহামিলনমেলা ও আনন্দ র্যালির আয়োজন করেছি। এর মাধ্যমে শেরপুরে আমরা ফুটবলে একটি আর্জেন্টিনা পরিবার গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি।
আরও পড়ুন: পঁচা সবজি থেকে পচনশীল পলিথিন, কলাগাছ থেকে ঢেউটিন আবিষ্কার!
আরেক সমর্থক শরীফ উদ্দিন বাবু বলেন, "আমরা বাপ-দাদার আমলের সম্পদ ভালোবাসি না, খেলাকে ভালোবাসি"। আর মেসি মানেই জাদুকরী ড্রিবলিং, রেকর্ড ভাঙা-গড়ার কারিগর।
ক্ষুদে সমর্থক আয়াত বলেন, তিনি আর্জেন্টিনা দলের খেলা দেখতে ভালোবাসেন এবং দলটিকে মন থেকে সমর্থন করেন। বাবার সঙ্গে র্যালিতে অংশ নিয়ে আনন্দ-উল্লাস করার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের আয়োজক সাবিত হাসান ও শাহরিয়ার শাকির বলেন, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের সাফল্য কামনার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের র্যালি সমর্থকদের ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি আরও বাড়িয়ে তুলবে।
তারা আরও বলেন, খেলাধুলা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা বহন করে। এমন আয়োজন আগামীতেও থাকবে।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশে র্যালিটি শেষ হলেও এর রেশ ছড়িয়ে পড়ে পুরো শহরজুড়ে।





