চুয়াডাঙ্গায় টানা বৃষ্টিতে সংযোগ সড়কে ধস, দুর্ভোগে ২ গ্রামের বাসিন্দা
টানা ভারি বৃষ্টিতে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের জয়রামপুর-কুমারীদহ সংযোগ সড়কের একটি অংশ ধসে গেছে। এতে দুই গ্রামের বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণের ফলে জয়রামপুর কাঁঠালতলা মসজিদের পেছনের সড়কের নিচের মাটি সরে যায়। একপর্যায়ে প্রায় ১৫ ফুট অংশ ধসে পড়ে। এতে দুই গ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল।
আরও পড়ুন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কিশোরগঞ্জ চেম্বার নির্বাচন, নেতৃত্বে লায়ন আবু বকর সিদ্দিক
কুমারীদহ গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন বলেন, হঠাৎ করে সকালে সংযোগ সড়কের একটি অংশ ধসে যায়। আমরা এপার থেকে ওপারে যেতে পারছি না। যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। দ্রুত মেরামত করা না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আনছার আলী জানান, সকালে ব্যবসায়িক কাজে যাচ্ছিলাম। এখানে এসে দেখি সংযোগ সড়ক ধসে গেছে। পরে ফিরে যেতে হয়েছে। এতে আমরা ভোগান্তিতে পড়েছি।
আরও পড়ুন: সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ
জয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা আরাফাত হোসেন বলেন, জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শত শত মানুষ চলাচল করেন। সড়কটি ধসে যাওয়ায় দুই গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানান।
হাউলি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন বলেন, সড়ক ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওই রাস্তাটি বারবার ভেঙে যাওয়ার কারণে সমস্যা হয়। তবে খুব দ্রুত রাস্তাটির কাজ করা হবে। প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে। ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে রাস্তার ওই অংশের কাজ হবে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই এ সড়কের বিভিন্ন অংশে ভাঙনের ঝুঁকি দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা হাটকালুগঞ্জে অবস্থিত প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ৪০ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।





