২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন
গাজীপুরে গৃহবধূ হত্যা মামলার ঘাতক স্বামীকে গ্রেপ্তার করল পিবিআই
গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার একটি আবাসিক হোটেলে গৃহবধূ শান্তা বেগম (৩৩) হত্যা মামলার রহস্য দ্রুত উদঘাটন করে প্রধান আসামি স্বামী সাইফুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্ত্রী হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে গাজীপুর পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার জানান, গত মঙ্গলবার রাতে চান্দনা চৌরাস্তার একটি আবাসিক হোটেল থেকে গলা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতযুক্ত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার হয়। পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন টিম দ্রুত নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় ২৩ জুলাই সংস্থাটি স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তভার গ্রহণ করে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় অস্ত্র ও মাদকসহ ৭ মামলার বিএনপির সাবেক নেতা খুন
তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: তাহিরপুর সীমান্তে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে শতাধিক বসতবাড়ি বিধ্বস্ত
পিবিআই জানায়, পারিবারিক কলহ ও স্ত্রীকে ঘিরে দীর্ঘদিনের সন্দেহ থেকেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। ঘটনার দিন শান্তার সঙ্গে আবাসিক হোটেলে ওঠার পর পুরোনো বিষয় নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে শান্তার সঙ্গে থাকা ফল কাটার ছুরি দিয়ে গলা ও বুকে আঘাত করে তাকে হত্যা করে সাইফুল। পরে নিহতের মোবাইল ফোন ও পরিচয়পত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।
পিবিআইয়ের দ্রুত তদন্ত, প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যার রহস্য উদঘাটন ও আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। আদালতে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির মধ্য দিয়ে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।





